প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ গত ১৫-১০-২০২৬ ইং তারিখ বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন রেজিঃ নং-বি-৮৫৩ এর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর অভিযোগ উত্থাপনের প্রতিবাদ শিরোনামে প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ। আব্দুর রহিম ২০১৫ সালে একটি কৃত্তিমভাবে অবৈধ কমিটি সৃজন করেন। শ্রম অধিদপ্তরে যার কোন আইনগত ভিত্তি/অনুমোদন নাই (কপি সংযুক্ত)। উক্ত অবৈধ সৃজিত কমিটির মেয়াদ ৯ বছর পূর্বেই শেষ হয়ে গেছে। আব্দুর রহিম গত গত ১১ বছর পূর্বে বিআরটিসি থেকে অবসর গ্রহণ করে। যখন শ্রমিক কর্মচারীগণ সিপিএফ গ্রাচ্যুইটির টাকা ৫০ হাজার থেকে ১লক্ষ টাকা করে পেয়েছেন, ঠিক সেসময়ে তৎকালীন আওয়ামীলীগ এর নেতৃবৃন্দের সাথে আতাত করে জনাব আব্দুর রহিম তার সমস্ত পাওনা এককালীন এক চেকে গ্রহণ করেন। তিনি দীর্ঘ ১৭বছর আওয়ামীলীগ এর নেতাকর্মীদের সাথে মিলে ডেভলপম্যান্ট এর ব্যবসা করেন। তিনি কখনো নিজের স্বার্থ ব্যতীত শ্রমিক কর্মচারীদের স্বার্থ চিন্তা করেননি এবং স্বৈরাচারী কায়দায় দীর্ঘ ৪০ বছর যাবৎ ইউনিয়নের নেতৃত্ব ধরে রেখেছেন। কোন নতুন নেতৃত্ব গড়ে উঠতে দেননি। বিআরটিসিতে ২০০৬ সালের নির্বাচনের পর সর্বশেষ ২০২৫ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২০০৬ সালে আব্দুর রহিম সভাপতি পদে নির্বাচন করে সম্পূর্ণ প্যানেল বিপুল ভোটে পরাজয় বরণ করেন। ২০০৬ সালে নির্বাচনে পরাজয় বরণ করেও শ্রমিক কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠানের সাথে বেইমানী করে সুষ্ঠু নির্বাচনে নির্বাচিত প্রভাষ চন্দ্র মন্ডল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জনাব মিনহাজুল ইসলাম এর কমিটির বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রীট মামলা দায়ের করে দীর্ঘ ১৮ বছর সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ রাখেন। মহামান্য হাইকোর্টের রীট মামলা জনাব আব্দুর রহিম কর্তৃক ২৭-০১-২০২৫ ইং তারিখ প্রত্যাহারের (কপি সংযুক্ত) পর ২০২৫ সালের নির্বাচনে নুরইসলাম-মহিউদ্দিন প্যাণেল বিনা প্রতিদন্ধীতায় নির্বাচিত হয়। ২০২৫ সালে নির্বাচিত কমিটিকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্রেরর মাধ্যমে শ্রমিক কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে কাজ করতে বাধা সৃষ্টি করে আসছে এই আব্দুর রহিম গং। তিনি অবসরপ্রাপ্ত হওয়ায় এবং ইউনিয়নের সদস্য না হওয়া সত্বেও তিনি এখনো নিজেকে স্বঘোষিত সাধারণ সম্পাদক দাবী করে বেআইনিভাবে ইউনিয়নের পদবী ও প্যাড ব্যবহার করে আসছেন। এ বিষয়ে শ্রম অধিদপ্তর কর্তৃক (পত্র নং-৪০.০২.০০০০.০০০.১০১.৫০.০০০৪.২০.৪২৯, তারিখ-১৬-০৩-২০২৬ইং) বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন এর নিকট প্রেরিত পত্রের মর্মানুযায়ী বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ (অদ্যাবধি সংশোধিত) এর ১৮০(১) (খ) ধারা অনুযায়ী কোন অবসর প্রাপ্ত শ্রমিক/কর্মচারী সে প্রতিষ্ঠানে তিনি শ্রমিক হিসাবে নিয়োজিত বা কর্মরত না থাকেন তিনি ট্রেড ইউনিয়ন বা সিবিএ প্রতিনিধিত্ব করতে পারবেন না (কপি সংযুক্ত)।
বিআরটিসি’র সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল লফিত মোল্লা কর্তৃক বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার, তারিখ ১২ জুলাই ২০২৬, দৈনিক পর্যবেক্ষণ, তারিখ-৬ আগষ্ট ২০২৬, বাংলাদেশ সংবাদ, তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, দৈনিক বাংলাদেশের সংবাদ, তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকা ও ইলেকট্রিক মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে।
গত ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখ প্রধান কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা দিয়ে সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীদের জিম্মি করে রাখেন” কথাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দ্যেশ্যপ্রনোদিত। দৈনিক জাতীয় পত্রিকায় ধারাবাহিক প্রকাশ এবং দুর্নীতির অনেক প্রমান থাকা সত্বেও তিনি এধরনের মিথ্যা বানোয়াট প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দুর্নীতিকে উৎসাহীত করেছেন, শ্রমিক কর্মচারী ও কর্পোরেশনের স্বার্থ বিরুদ্ধ অবস্থান করে সকল শ্রমিক কর্মচারী এবং কর্পোরেশনের সাথে বেইমানী করেছেন। যা শ্রমিক কর্মচারীদের সাথে প্রতারণা ও আইন বিরুদ্ধ কাজ।
বর্তমানে যখন এদেশের সর্বস্তরের ছাত্র জনতা শ্রমিক সকল প্রকার বৈষম্য, অনিয়ম, জুলুম অত্যাচার, দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে পরিবর্তন চায়। যখন এদেশের আপামর জনতার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এদেশ থেকে সকল প্রকার বৈষম্য, অনিয়ম, জুলুম অত্যাচার ও দুর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সর্বক্ষণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, ঠিক তখনই ১১ বছরের অবসরপ্রাপ্ত আব্দুর রহিম কতিপয় ছাত্রলীগ, যুবলীগের কোঠায় নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ছত্রছায়ায় দুর্নীতি পক্ষে সাফাই গেয়ে প্রতিষ্ঠানকে দুর্নীতির অতল গহবরে নিমজ্জিত রাখার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তারা মূলত বর্তমান বিএনপি সরকারের ভাবমূর্তী ক্ষুন্ন করার পায়তারায় লিপ্ত। আমারা তাদের এহেন ন্যাক্কারজনক কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
মোঃ নুরুল ইসলাম
সভাপতি
বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন রেজিঃ নং-বি-৮৫৩
মোঃ মহিউদ্দিন খান
সাধারণ সম্পাদক
বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন রেজিঃ নং-বি-৮৫৩




