এই বিজয় এক ক্লান্তিহীন যোদ্বার বিজয়

——আবুল কালাম আজাদ

আনলাইন ডেস্ক: অনেক দূর্ঘম পথ পাড়ি দিয়ে,আঁকা বাঁকা কাঁটা বিধানো পথ চলিয়ে নিজ স্বকীয়তায় সেই ছোট্ট বেলা থেকে মুজিব আদর্শ কে ধারণ করে ই চলেছিলো এই কিশোর। স্কুল গন্ডিতেই আওয়ামী চেতনায় উজ্জীবিত করেছিল প্রিয় বিদ্যালয় আংগিনা কে।

বিদ্যালয় পেরিয়ে কলেজ জীবনে পডালেখার পাশাপাশি রাজনীতি টা কেই নিজ জীবনের কেন্দ্রবিন্দু তে স্থাপন করেছিলেন।
বন্ধু বাৎসল্য মানুষ টি নিজ সততা আদর্শ নীতি কেই নিজের চলার পথের একমাত্র সম্পদ নিয়েই এগিয়ে চলেছিলেন সামনের আগামীর জন্য। ছোট বেলা থেকেই ছোট দের স্নেহ বড়দের সম্মান যা ছিল তার অভ্যাসগত চরিত্র।

এক পা দু পা করে রাজপথে ঝড় বৃষ্টি উপেক্ষা করে জয় বাংলা কে এগিয়ে নিয়েছিলেন, কখন ও ছাত্র রাজনীতি করে,আবার কখন ও যুব রাজনীতি করে অতীত সময়ে।

২০০১ সাল।বিভৎস্য এক নগ্ন অধ্যায় ছিল বাংলাদেশ তথা ফেনীর রাজনীতির আকাশে।তখন কার সময়ে বিএনপি, জামায়াত এর নির্যাতন নিপীড়নের কথা মনে আসলে আজো শরীর শিউরে উঠে।মামলা হামলায় যখন জর্জরিত আওয়ামী সৈন্যগুলো।চিহ্ন বিহ্ন আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক অংগন।ধিক বিধিক হতভম্ব বাড়ি ঘর ছাডা অনেক মায়ের সন্তান গুলো।অপরাদ মুজিব আদর্শ কে কেন লালন করে?

অনেক নেতা কর্মী নিজ অঞ্চল, নিজ জেলা তথা অনেকে দেশ ছাডা হয়েছিলেন। ঠিক সেই দুঃখময় সময়ে নিজের ভবিষ্যৎ এর কথা চিন্তা না করে।নিজের জীবনের প্রতি দয়ামায়া না করে। আদর্শিক সংগঠন টা কে ভালোবেসে আদর্শিক নেতা কর্মীদের ভালোবেসে স্বল্প সংখক নেতা কর্মীদের মত, যেই মানুষ টি ফেনীর মাষ্টার পাডাই ছিলেন।

অনেক নেতা কর্মী দু মুঠো খাদ্য খাওয়ার জন্য অসহায় হয়ে থাকতেন।তখন আজকের এই মানুষটি ই নিজ পিতৃ সম্পত্তি বিক্রি করে নেতা কর্মীদের জন্য ব্যয় করেছিলেন। সেই অজানা অচেনা নিজ ভবিষ্যতের কথা চিন্তা না করে মাঠের নেতা কর্মীদের মধ্যে পুষ্প হয়ে বেডে উঠা যেই মানুষ টি, তিনি ই হলেন আজকের এই প্রিয় মানুষ টি।

বিরোধী দল নিজ দলীয় বিপদগামী কিছু খারাপ চরিত্রের মানুষ দের ধারা বার বার বাধা বিপত্তির মুখোমুখি হলে ও কখন ও পাল্টা আঘাতের কথা চিন্তা করেন নি।নিজ মেধা বুদ্ধি বিচক্ষণতা, মনন, নীতি ও আদর্শ কে লালন করে নিজের জ্ঞান প্রজ্ঞা দিয়ে ই এগিয়ে গিয়েছিলেন। কখন ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম, অবৈধ পন্থা অবলম্বন করেন নি। নিজ অবস্থান থেকেই শুরু থেকে অদ্যবধি সকল অনিয়ুম এর বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছেন।

এই অশান্ত ফেনী কে, ফেনীর এই অঞ্চল যখন মুখ থুবড়ে পডেছিলো সারা দেশে নিজ চেহারা মলিন হয়ে।
তখন ফেনীবাসীর আশার আলো হয়ে এক সূর্য্যের আগমন হয়।সেই উজ্জীবিত সূর্য টি হলেন আজকের ফেনীর শান্তির রুপকার। ফেনীবাসীর প্রিয় ব্যাক্তি আমাদের শ্রদ্ধাশীল প্রিয় অভিভাবক জননেতা #নিজাম_উদ্দিন_হাজারী_এমপি মহোদয়।এই আলোক বর্তিকাটি যখন ফেনীর মাটিতে পা দেন।ঠিক ওই সময়ক্ষণ থেকে প্রিয় নেতার পাশ্বে থেকে সকল আন্দোলন সংগ্রামে নিজেকে সর্বোচ্চ ত্যাগ দিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন।সেই মানুষটি ই হল আজকের প্রিয় ব্যাক্তি #শুসেন_চন্দ্র_শীল।

যাহার প্রজ্ঞা জ্ঞান চিন্তা চেতনায় মেধা কেই অগ্রাধিকার দিয়ে রাজপথ কে আগলিয়ে রেখেছেন।

আজকের যেই বিজয়ীর পথে ব্যাক্তি শুসেন চন্দ্র শীল। তিনি শুধু একজন ব্যাক্তি ই নন।একটি প্রতিষ্ঠান ও বাংলাদেশের জন্য তথা ফেনী বাসীর জন্য একটি প্রতিক। যেই প্রতিক টি কিছু শব্দ ও বাক্য কে উজ্জীবিত করেছে। যেই প্রতিক আজ এবং আগামীর প্রজন্মের জন্য ত্যাগী নেতা কর্মীদের উজ্জীবিত করেছেন।

যেই প্রতিক টি নেতার প্রতি আস্থা বিশ্বাস ভালবাসা শ্রদ্ধারেখে নিজ নীতি ও আদর্শ কে সর্বোচ্চ বন্ধুর পথে ও আগলে রাখেন।
যেই প্রতিক দলের দুঃসময়ে আস্তা রাখা ত্যাগী কর্মীদের কে স্বীকৃতি দিয়েছেন। যেই প্রতিক অতিত ও বর্তমান কাজের সেতুবন্ধন রুপে নীতি আদর্শ কে আগলে রাখার রাজপথের সৈনিক দের দৃষ্টান্ত।

আজকের এই বিজয়ীর পথে, হেটে চলা প্রিয় মানুষটির অন্তরাত্বা প্রশান্তিতে, আনন্দময় হয়েছেন ২০০১ সাল পরবর্তী সকল ত্যাগী নেতা কর্মীরা। যারা রাজপথে থেকে ঝড় বর্ষা অন্ধকার ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যেও আদর্শের জয়গান গেয়েছেন, আজকের বিজয়ী তারাই হয়েছেন। জয় হউক অন্ধবিশ্বাস আস্তায় লালন করা আদর্শের। জয় হউক অন্ধকারাচ্ছন্ন একলা পথের সাথী হয়ে থাকা সকল বীর রাজনৈতিক সৈনিক দের।

ফেনী জেলা আওয়ামী লীগের সু যোগ্য সাধারণ সম্পাদক, ফেনী গণমানুষের নেতা,তৃণমুল রাজনৈতিক নেতা কর্মীদের প্রাণ,ত্যাগী নেতা কর্মীদের অক্সিজেন, প্রিয় অভিভাবক জননেতা নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি শত বাধা বিপত্তি পেরিয়ে নীতি আদর্শের যুদ্ধে যেই স্বীকৃতি দিয়েছেন।তারজন্য কৃতজ্ঞ আমরা বালিগাঁও ইউনিয়নের সর্ব জনগণ।
কৃতজ্ঞ জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ সকল নেতা কর্মীদের প্রতি।

আগামী পথে প্রচ্ছন্ন হউক
আমরা সবাই ফেনিবাসী।
সবাই কাঁধে কাধ মিলিয়ে
জননেতা নিজাম উদ্দিন হাজারী এমপি মহোদয়ের নেতৃত্বে আওয়ামী রাজনীতি কে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

লেখক:আবুল কালাম আজাদ
সাধারণ সম্পাদক
বালিগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।

(ফেসবুক ওয়াল থেকে  সংগ্রহীত)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *